The Commonwealth Period (1649-1660)
ইংরেজি সাহিত্যে commonwealth period-কে অরাজকাল বা Puritan interregnum বলে। এই সময়কার Puritan leader বা নেতা ছিলেন obliver Cromwell. এই সময়েই John Milton তার বিভিন্ন রাজনৈতিক লেখা লিখেছিলেন। এ ছাড়াও Andrews 'Leviathan' এই সময়েই লেখা। এই সময়েই Public stage performance বা theatre বন্ধ করে দেওয়া হয়।
Why the Age is Called the Commonwealth Period (কেন এ যুগটাকে কমনওয়েলথ যুগ বলা হয়):
ইংরেজী সাহিত্যের ইতিহাস ১৬৪৯ থেকে ১৬৬০ সাল পর্যন্ত সময়কাল Commonwealth Period বলে পরিচিত। কারণ- এসময়ে ইংল্যান্ডে কোন রাজতন্ত্র ছিল না। Commonwealth বা গণতন্ত্র চালু হয়েছিল। রাজতন্ত্রে বীতশ্রদ্ধ জনসাধারণকে গণতন্ত্রের জন্য বহু সংগ্রাম করতে হয়। Oliver Cromwell ছিলেন এ সংগ্রামের নেতা।
অবশেষে ১৬৪৯ সালে প্রথম চার্লসের শিরশ্ছেদ হয়ে গেলে তিনি ইংল্যান্ডের রাজ্য ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। তাঁর এ ক্ষমতা গ্রহণের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি ঘটে এবং গণতন্ত্রের উন্মেষ হয়। যেহেতু এ সময়ে Commonwealth বা গণতন্ত্র চালু ছিল তাই এ যুগকে Commonwealth Period বলা হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Thomas Hobbes (1588-1679)
Thomas Hobbes was an English philosopher and political theorist, best known for his 1651 book Leviathan, in which he expounds an influential formulation of social contract theory. He is considered to be one of the founders of modern political philosophy.
- তাকে আধুনিক রাজনৈতিক দর্শনের জনক বলা হয়। ( Political Philosopher).
- তাঁর সর্বশ্রেষ্ট রচনা Leviathan (দি লেভিয়াথান) [এই গ্রন্থে তিনি রাজার সার্বভৌম অধিকারের কথা ঘোষণা করেছেন।]
- Quote: The end of knowledge is power.
Puritan Period(1620-1660)
The Puritan Movement referred to the desire and goal of purifying the Church of England and Roman Catholic Church form within in contract to the "Separatists" who believed the established Churches could not be reformed and the only hope was to set up separated Churches.
The puritans were a member of a group of English Protestants who in the 16th and 17th centuries advocated strict religious discipline along with simplification of the ceremonies and creeds of the Church of England. Puritanism in this sense returning clergy exiled under Mary I shortly after the accession of Elizabeth I of England in 1558 as an activist movement within the Church of England.

John Milton (1608-1674) |
Works:
|
১৬০৮ সালে ৯ ডিসেম্বর লন্ডন শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পিতা ছিলেন একজন শিক্ষিত মানুষ এবং উঁচু পদের করণিক। মূল পেশা ছিল দলিল-দস্তাবেজ তৈরি করা। সঙ্গীতেরও সমঝদার ছিলেন তিনি।
১৬৫২ সালে হঠাৎ করেই তিনি একেবারে অন্ধ হয়ে যান। এ অবস্থায় তিনি তার বিখ্যাত কাব্য 'প্যারাডাইস লস্ট' রচনা করেন। তার এই কাব্য তাঁকে খ্যাতি ও সম্মান এনে দেয়।
তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মগুলোর মাঝে উল্লেখযোগ্য হলো প্যারাডাইস লস্ট (১৬৬৭), প্যারাডাইস রিগেন্ড (১৬৭১), স্যামসন, এগোনিস্টিস (১৬৭১)। ১৬৭৪ সালে এই যুগন্ধর কবি ইহলোক ত্যাগ করেন। মিলটনকে বলা যায় তাঁর সময়কালের একজন আপসহীন সংগ্রামী সেনানায়ক।
তিনি "প্যারাহডাইজ লস্ট" মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
i) John Milton ছিলেন The great master of Blank Verse.
ii) Paradise Lost মূলত একটি Epic.
iii) John Milton এর একটি উল্লেখযোগ্য Elegy হলো Lycidas.
iv) Paradise Lost মহাকাব্যের একটি বিখ্যাত লাইন হলো "Better to reign in Hell then serve in Heaven"
v) ১৬৫২ সালে হঠাৎ করেই তিনি একেবারে অন্ধ হয়ে যান।
vi) Paradise Lost(Epic) তার বিখ্যাত কর্ম।
vii) এছাড়াও তার একটি মহাকাব্য (Epic) হলো Paradise Regained.
viii) তার অন্যান্য রচনার মধ্যে "O Nightingale", "How Soon Hath Time" হয় দুটি Sonnets.
ix) Areopagitica একটি Phamplet যা লেখা হয়েছিল লেখক, প্রকাশক ও প্রকাশনা সংস্থার স্বাধীনতার জন্য।
x) Paradise Lost মহাকাব্যের একটি বিখ্যাত লাইন হলো "Better to reign in Hell then serve in Heaven"
xi) Paradise Lost মহাকাব্যের চরিত্রগুলো হলো Adam, Eve, Satan, Beelzebub, Mammon.
xii) "Paradise Regained" (in four books) and "Samson Agonistes" (a noble drama on the Greek model).
xiii) “প্যারাহডাইজ লস্ট” এর থিম হচ্ছে "Justify the ways of God to men" এখানে কেন্দ্রিয় চরিত্র হচ্ছে 'শয়তান'।
xiv) Paradise Lost is separated into twelve "books" or sections, the lengths of which vary greatly (the longest is Book IX, with 1,189 lines, and the shortest Book VII, with 640). It is Originally divided into ten, afterwards into twelve books.
His famous Works :
a. Paradise Lost(Epic)
b. Paradise Regained (in four books)
c. Samson Agonistes (a noble drama on the Greek model).
d. Lycidas.(Elegy)
শর্ট টেকনিক: LIPS
L = Lycidas (elegy)
I=
P = Paradise Lost (epic poet), Paradise Regained
S = Samson Agonistes.
John Milton এর কিছু বিখ্যাত Quotations :
- "Better to reign in Hell than serve in Heaven." (স্বর্গের দাসত্ব থেকে নরকের রাজত্ব অনেক ভাল) Speech of Satan. (Paradise Lost)
- Childhood shows the man, As morning shows the days. (সকালেই বোঝা যায় দিনটি কেমন যাবে তেমনি শিশু বেলায় বোঝা যায় মহৎ মানুষের প্রতিচ্ছবি /"উঠন্তি মুলো পত্তনেই চেনা যায়”) (Paradise Regained)
অন হিজ ব্লাইন্ডনেজ
সারাংশ:
কবিতার শুরুতে কবি ঈশ্বরের কাছে অভিযোগ করেছেন যে, তিনি অর্ধজীবন অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই কবিকে অন্ধ করে দিয়েছেন। এই বিশাল পৃথিবীটা তাঁর কাছে এখন অন্ধকার। ফলে যে কাব্য প্রতিভা ঈশ্বর কবিকে দিয়েছেন তা এখন অব্যবহৃত, যদিও কবির ইচ্ছা কাব্য লেখার মাধ্যমে ঈশ্বরের সেবা করার, কিন্তু অন্ধত্বের কারণে তিনি তা পারছেন না। যখন ঈশ্বরের কাছে জবাবদিহিতা করতে হবে, তখন এই অব্যবহৃত কাব্য প্রতিভার জন্য কবি ঈশ্বরের কাছে তিরস্কার পাবেন। তারপরও ব্যথাতুর মনে কবির আত্মজিজ্ঞাসা 'অন্ধ হওয়ার পরও কি ইশ্বর তার দানের সঠিক হিসাব নিবেন। 'পরক্ষণেই কবি বুঝতে পারেন যে, ঈশ্বরের মানুষের সেবা বা উপহারের কোনো প্রয়োজন নেই। সহস্র দেবদূত তাঁর অধীনে এবং ঈশ্বরকে আদেশ পালন করতে ধৈর্য সহকারে অপেক্ষারত। তারা কোনো অভিযোগ না করেই ঈশ্বরের সর্বোত্তম সেবা দিচ্ছে। তাই কবিও মনে করেন, মানুষ নিজেকে ঈশ্বরের নিকট সমর্পণ করতে হবে অভিযোগহীনভাবে।
১. তিনি একটা শোককাব্য লেখেন। নাম লিসিডাস (Lycidas)। রচনাকাল ১৬৩৭ খ্রীঃ। মিল্টনের এক সহপাঠী বন্ধু আইরিশ সমুদ্রে ডুবে মারা যান। এই বন্ধুর বিয়োগব্যথাই কাব্যটির উৎস। লিসিডাস হচ্ছে একজন মেষপালক। মেষপালকের রূপকে এই রাখালিয়া শোকগীতি (Pastoral Elegy)-তে কবির বেদনা ব্যক্তিগত দুঃখের ঊর্ধ্বে সর্বজনীন রূপ নিয়ে দেখা দিয়েছে। আর এই রূপকের অন্তরালে কবির ধর্মচেতনারও সুন্দর প্রকাশ ঘটেছে।
২. ইংরেজী সাহিত্যে 'প্যারাডাইস লস্ট' (Paradise Lost) এর তুলনা নেই। এর বেশির ভাগ অংশ আদম ও ঈভকে নিয়ে। জ্ঞানবৃক্ষে ফল খাওয়ার পূর্বেকার আদম ও ঈভের স্বর্গজীবন, শয়তান কর্তৃক প্রলুব্ধ হয়ে জ্ঞানবৃক্ষের ফল খাওয়ার ফলে তাঁদের স্বর্গচ্যুতি, শয়তানের ষড়যন্ত্র এবং ভগবৎশক্তির কাছে পরাজয় এই কাহিনির বিষয়বস্তু। কাব্যের স্বর উদাত্ত, বৈদিক সামন্তোত্রের মতই আকর্ষণীয়। দ্বাদশ স্বর্গের শেষ অংশে যেখানে দেবদূত মাইকেলের কণ্ঠে মহাপুরুষের আবির্ভাবের ভবিষ্যদ্বাণী ধ্বনিত হয়েছে, মানবমুক্তির কথা। স্বর্গ, মর্ত ও নরকের চরিত্র ও দৃশ্যাবলী এই কাব্যে বিস্ময়কর এক মহাজাগতিক রূপ নিয়ে বর্ণিত হয়েছে।
৩ 'প্যারাডাইস রিগেইন্ড' (Paradise Reganed) চারটি সর্গে রচিত। এই কাব্যটি পূর্ববর্তী 'প্যারাডাইস লস্ট' এর পরিপূরক অংশ। যীশুখ্রীষ্টের আগমন এবং তার সাধনা মানবমুক্তির পথ প্রশস্ত করল। শয়তান এখানে হতবল কিন্তু কৌশলী ও একটা বিকলাঙ্গ চরিত্র হয়ে উঠেছে। 'প্যারাডাইস লস্ট' এর শয়তানের যে বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব দেখা যায় তা এখানে নেই। কাহিনি মূলত 'বাইবেল' অবলম্বনে লেখা। যীশুখ্রীষ্টের জীবনের মধ্য দিয়েই স্বর্গ জয় ও প্রাপ্তির দৃষ্টান্ত দেখানো হয়েছে। কাব্য সৌন্দর্য এখানে আছে, তবে সমগ্রভাবে কাব্যটি 'প্যারাডাইস লস্ট'-এর সমকক্ষ নয়।
৪. 'স্যামসন আগোনিস্টিস্' (Samson Agonistes) কবির 'প্যারাডাইস রিগেইনড' এর সঙ্গে প্রকাশিত হয়। এই কাব্য গ্রন্থটি কবির শেষ রচনা। নাট্যকাব্যটিতে কবির নিজের ছায়া পড়েছে। ইসরায়েলের বীর নেতা স্যামসন অন্ধ ও অসহায় হয়ে ফিলিস্তিনিদের দাসত্ব স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন। এই প্যালেস্টাইনের প্রভুদের আনন্দ দানের জন্য অন্ধ স্যামসনকে প্রমোদ স্থলে নিয়ে আসা হয়। স্যামসন সেই প্রমোদ-প্রাসাদের স্তম্ভ বিচ্যুত করেন। ফলে প্রাসাদের ছাদ ভেঙ্গে পড়ে এবং উপস্থিত দর্শক-প্রভুদের মৃত্যু ঘটে। গ্রীক ট্র্যাজেডির ধরনের লিখিত এই নাট্যকাব্যে অন্ধ স্যামসনের চরিত্র নির্মাণে কবির আপন জীবনের প্রক্ষেপণ ঘটেছে। স্যামসনের মতোই মিল্টন জীবনযুদ্ধে পড়াজিত, আশাভঙ্গে নিরুৎসাহ, রোমান্টিক কবির মতই বিষাদগ্রস্ত অথচ ক্লাসিক কবির মতই আদর্শে অবিচল।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Jeremy Taylor (1613-1667)
Jeremy Taylor (1613–1667) was a cleric in the Church of England who achieved fame as an author during the Protectorate of Oliver Cromwell. He is sometimes known as the "Shakespeare of Divines" for his poetic style of expression, and he is frequently cited as one of the greatest prose writers in the English language.
Famous prose :
- Holy Living
- Holy Dying
Andrew Marvell
(31 March 1621 -16 August 1678)
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
- Andrew Marvell হলেন আর একজন বিখ্যাত Metaphysical Poet.
- As a metaphysical poet, he is associated with John Donne and George Herbert.
- He was a colleague and friend of John Milton.
- তিনি ছিলেন John Donne এর অনুসারী (Follower).
- তার বিখ্যাত দুটি কবিতা হলো "To His Coy Mistress", "The Definition of Love".
His poems include :
- "To His Coy Mistress".
- "The Garden"
- "An Horatian Ode upon Cromwell's Return from Ireland".
- "The Mower's Song" and the
- Country house poem "Upon Appleton House".
Το His Coy Mistress :
কবিতায় প্রেমিক তার প্রেমিকাকে আহ্বান করেছে। প্রেমিকের মতে, যদি তাদের যথেষ্ট পরিসর ও সময় থাকত তবে তার প্রেমিকার লজ্জাশীলতায় সে কিছু মনে করতো না।
"Had we but would enough, and time
This coyness lady were no crime."
যদি তাদের বিন্যাসে বা মিলনে যথেষ্ট সময় থাকতো তবে সে তার প্রিয়তমাকে মহাপ্লাবনের দশ বছর আগে থেকে ভালোবাসা শুরু করত। কিন্তু সময় খুব সংক্ষিপ্ত হবার দরুণ কবি আক্ষেপ করে বলেন,
"But of my back I always hear
Times winged chariot hurrying near;
and yonder all before us lye
Deserts of vast eternity"
পৃথিবী ক্ষণস্থায়ী বলে সৌন্দর্যও ক্ষণস্থায়ী। একদিন তাদের কবরে যেতে হবে। যদিও কবর নির্জনতার ঘর কিন্তু কেউ সেখানে ভালোবাসা উপভোগ করতে পারে না। তাই কবি আফসোস করেছেন,
"The grave's fine and Private place
But none I think do their embrace"
তাই তিনি মনে করেন, ভালোবাসার আনন্দ উপভোগ করার সময় এখনই যেহেতু তাদের হাতে এখনো সময় রয়েছে।
To His Coy Mistress
কবিতার সারসংক্ষেপ :
কবি এন্ড্রু মারভেল তাঁর "To His Coy Mistress" কবিতায় আকাঙ্ক্ষা করেছেন ভালোবাসার জন্য অফুরন্ত সময়। কবি বলেন, তিনি তাঁর প্রেমিকাকে নিয়ে বসে বসে ভাবতেন কী করে কাটাবেন দীর্ঘ সময়। কবি তাঁর প্রেমিকাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তুমি ভারতের গঙ্গা নদী কিনারায় মুক্তা কুড়াতে আর আমি হাম্বার নদীর কিনারে বসে গাইতাম বিরহের গান। কবি বলেন, তিনি তাঁর প্রেমিকাকে ভালোবাসতে শুরু করেছেন নূহের প্লাবনের দশ বছর আগে থেকে। কবি বলেন, তাদের দুজনের ভালোবাসা বিশাল সাম্রাজ্যের সীমানা পার হয়ে দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়ত। তিনি তাঁর প্রেমিকার আঁখির বন্দনা করতেন, গুণের পূজা করতেন আর পুরো শরীরটার পূজা করতেন ত্রিশ হাজার বছর ধরে। কিন্তু কবি শঙ্কিত এই ভেবে যে, তাঁর পিছে সময়ের রথের শব্দ শোনা যাচ্ছে। কবি মনে করেন তাঁর প্রেমিকার রূপটি হয়তো তিনি আর দেখতে পাবেন না কারণ কবির মৃত্যুর পর প্রেমিকার রূপের চিত্র তাঁর কবরে প্রবেশ করবে না, দেহ হবে ছাইভস্ম, যে দেহকে আর আলিঙ্গন করা সম্ভব হবে না। কবি এ কারণে প্রিয়ার সাথে কিছুটা সময় খেলা করতে চান, কবি জানেন এই সময় তার স্থির থাকবে না, একদিন এ শরীর ছাইভস্মে রূপ নেবে।
The Definition of Love
কবিতার সারসংক্ষেপ:
কবি এন্ড্রু মারভেল তাঁর "The Definition of Love" কবিতায় আধ্যাত্মিক প্রেমের দিকটি উম্মোচন করেছেন। এখানে কবি শারীরিক ভালোবাসাকে প্রাধান্য না দিয়ে আধ্যাত্মিক ভালোবাসার উপর গুরুত্ব প্রদান করেছেন। কবি বলেন, তাঁর ভালোবাসা অনন্ত অসীম এক দুর্লভ ভালোবাসা। দুর্বল কামনা তাঁর ভালোবাসাকে স্পর্শ করতে পারে না। ভালোবাসাকে তিনি স্বর্গীয় বিষয় বলে মনে করেন, এ ভালোবাসায় আছে অনন্ত চিরতৃষ্ণা আর হতাশার মিশ্রণ। কবি বলেন নিয়তি এমনই কঠিন আর নির্মম যে, কবির প্রেমিকার সাথে তাকে মিলতে দেয় না। নিয়মিতই তাদের মিলনের পথে একমাত্র বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় সর্বদা। নিয়তির এই শক্তি কবি আর তাঁর প্রেমিকাকে দু মেরুতে রেখেছে, দুজনকে মিলতে দেয় না কখানো। কবি বলেন, তিনি আর তাঁর প্রেমিকা মিলতে পারবেন যদি এই পৃথিবীটা কখনো সমতল ক্ষেত্রে পরিণত হয়। বাঁকা রেখা তো যে কোনো স্থানে মিলতে পারে কিন্তু কবি এবং তাঁর প্রেমিকা দুজনে দুটি সরল রেখায় অবস্থান করছেন এজন্য মিলতে পারছেন না। বক্ররেখা দ্বারা কবি শারীরিক প্রেমের কথা বলেছেন আর সকল রেখা প্রতীকে তিনি বলেছেন আধ্যাত্মিক প্রেমের কথা। মোট কথা কবি এ কবিতায় তাঁর আধ্যাত্মিক প্রেম চেতনার দিকটি তুলে ধরেছেন।
Henry Vaughan (1621-1695)
- তিনি একজন বিখ্যাত Metaphysical poet তবে পেশাগত জীবনে Physician ছিলেন।
- He is chiefly known for this religious poetry
Famous Poems :
- Mount of Oliver
- The Chemist's Key
- Silex Scintillans
Read more